চট্টগ্রামে অত্যাধুনিক হাসপাতাল এবং পার্ক গড়তে চান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

চট্টগ্রামে অত্যাধুনিক হাসপাতাল এবং পার্ক গড়তে চান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

চট্টগ্রামে একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল এবং পার্ক করার বিষয়ে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় হয়েছে। 
 
সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দলের মতবিনিময়

বৃহস্পতিবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সেনাবাহিনীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কর্নেল এডমিন খলিলুল্লাহ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন, মেজর আনিছুর রহমান।
 
সভায় সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি দলটি মেয়রের সাথে কালুরঘাট বিএফআইডিসি সড়কের পাশে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রায় আট একর জায়গায় হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা করেন। চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে একটি আন্তর্জাতিক মানের অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি বরাদ্দের বিষয়ে আলোচনা করেন তারা। তারা জানান, বর্তমানে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ মানুষ চিকিতসার জন্য বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে, যা একদিকে রোগীদের জন্য কষ্টকর এবং অন্যদিকে রাষ্ট্রও বিপুল পরিমাণ মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা হারাচ্ছে। হাসপাতালটি নির্মাণ হলে চট্টগ্রামবাসী স্বল্প ব্যয়ে চট্টগ্রামে বসেই আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসাসেবা পাবে। হাসপাতালটি চসিকের কর্মরতদের নামমাত্র মূল্যে বা বিনামূল্যে সেবা দিবে। সভায় হাসপাতাল নির্মাণের সম্ভাব্য কাঠামো, সুবিধা ও পরিচালন ব্যবস্থা নিয়ে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা মেয়রের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মেয়র দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন।
 
সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দলের মতবিনিময়

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের জনগণের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণে এগিয়ে আসতে চাইছে—এটা নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত শুভ উদ্যোগ। একজন চিকিৎসক ও চট্টগ্রামের মেয়র হিসেবে আমি এ বিষয়ে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। কালুরঘাট এলাকায় হাসপাতালটি হলে স্থানীয় বিপুল পরিমাণ মানুষ আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে। 
 
মেয়র আরও উল্লেখ করেন, একসময় নগরীর সুস্থ বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র ছিল সার্কিট হাউসের সামনে অবস্থিত শিশু পার্কটি, যা বর্তমানে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে। এই পার্কটি পুননির্মাণ করে আধুনিক পার্ক হিসেবে গড়ে তোলা হলে শিশু ও পূর্ণবয়স্ক উভয়ের জন্য সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই পার্কটি হবে সম্পূূর্ণ সুস্থ বিনোদনের জন্য এখানে কোন স্থায়ী বাণিজ্যিক স্থাপনা হবেনা। সেনাবাহিনী যদি এ প্রকল্পে ভূমি প্রদানের মাধ্যমে সহযোগিতা করে, তবে চসিক প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে এগিয়ে আসবে। 
 
সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দলের মতবিনিময়

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, আইন কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মুরাদ, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল।

Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url